গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে ভোটারবিহীন সরকার : মির্জা আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতার ৪৮ বছর পেরিয়ে গেলেও জনগণের মুক্তি এখনও আসেনি। দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে বর্তমান ভোটারবিহীন সরকার। স্বাধীন দেশে মানুষ আজ দিশেহারা। আজ এক বুক বেদনা আর ক্ষোভ নিয়ে বিজয়ের এই শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছি।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯ নয়াপল্টনে দলের বিজয় র‌্যালির উদ্বোধন ঘোষণার সময় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরে সেই চেতনা ভেঙে খান খান হয়ে গেছে। গণতন্ত্রের চেতনা, আকাঙ্ক্ষাকে দখলদার সরকার লুট করে নিয়েছে। যারা গণতন্ত্রের কথা বলেন, তাদেরকে কারাগারে থাকতে হয়। লক্ষ লক্ষ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গোটা দেশকে কারাগারে পরিণত করেছে এই সরকার।

মির্জা আলমগীর বলেন, ৪৮ বছর পরে রাজাকারের তালিকা কী প্রয়োজনে তৈরি করা হয়েছে? সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়েই এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করছে সরকার। প্রকৃত রাজাকারকে বাদ দিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তালিকা করেছে সরকার।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া মুক্ত না হলে গণতন্ত্রও মুক্ত হবে না। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারের পতন ঘটিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে।

বিএনপির সহ প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিমের পরিচালনায় বিজয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত শোভাযাত্রায় বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস, সেলিমা রহমান। অন্যদের মধ্যে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, আবদুস সালাম, আব্দুল হাই, হাবিবুর রহমান হাবিব, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মফিকুল আহসান তৃপ্তি, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, ফজলুল হক মিলন, মীর সরফত আলী সপু, কামরুজ্জামান রতন, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, আব্দুল আউয়াল খান, আব্দুল খালেক, শামীমুর রহমান শামীম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, কাজী আবুল বাশার, তাইফুল ইসলাম টিপু, রফিক সিকদার, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, কাজী মফিজুর রহমান, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, মজিবুর রহমান, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসাইন, আবুল খায়ের খাজা, ছাত্রদলের ফজলুর রহমান খোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের শফিউল বারী বাবু, আব্দুল কাদির ভুইয়া জুয়েল, যুবদলের সাইফুল আলম নীরব, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, হেলেন জেরিন খান, কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপির সভাপতি হাজী মনির হোসেন সহ ড্যাব, জেটেব, ওলামা দল, মৎস্যজীবী দল, কৃষক দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী। ব্যান্ড পার্টি ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পোস্টার, ব্যানার নিয়ে নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে অবিরাম স্লোগান দিতে থাকেন।

SHARE